সর্বশেষ সংবাদ
Home » আন্তর্জাতিক » যেকোনো মূল্যে ইমরানের পতন চায় বিক্ষোভকারীরা

যেকোনো মূল্যে ইমরানের পতন চায় বিক্ষোভকারীরা

তুমুল আন্দোলনের মুখে ইমরান খান সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। আন্দোলনকে বিচ্ছিন্ন গুটি কয়েক দলের আস্ফালন বলেও মন্তব্য আইএসপিআর-এর। প্রধানমন্ত্রী ইমরানও পদত্যাগ করবেন না বলে ফের জানিয়েছেন। আন্দোলনকারীরা উল্টো বেশি বাড়াবাড়ি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি মন্ত্রিসভার সদস্যদের। তবে যেকোনো মূল্যে ইমরানকে টেনে নামানোর লক্ষ্যে অটল বিরোধীদলগুলো।
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে কার্যত অচল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ। এক দিকে পুলিশি বলয় অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের রাজপথ ঘেরাও। সব মিলিয়ে ক্ষমতায় আসার এক বছরের মাথায় বেকায়দায় তেহরিক-ই ইনসাফ।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘দুই দিনের সময় দেয়া হয়েছে ইমরান খানকে। তিনি যদি এর মধ্যে পদ না ছাড়েন তবে এর পরিণতি খুব খারাপ হবে। আজ হোক, কাল হোক দাবি মানতেই হবে। প্রধানমন্ত্রীকে কুরসি ছাড়তে হবে অবশ্যই।’ 
লাখ লাখ মানুষ এ বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন, এর নাম তারা দিয়েছেন ‘আজাদি মার্চ’। নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইসলামপন্থী নেতা মওলানা ফজলুর রহমান। ইতোমধ্যে তাকে সমর্থন দিয়ে মাঠে নেমেছে দেশটির দুই প্রধান বিরোধীদল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি।মওলানা ফজলুর, ইমরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, পদত্যাগ না করলে তার বাড়িতে ঢুকে পড়বে বিক্ষোভকারীরা।
জামিয়াত উলামা-ই-ইসলামের প্রধান নেতা মওলানা ফজলুর রহমান বলেন,’সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ইমরান খানের বিরুদ্ধ লড়ছি। আগামী দিনগুলোতে আরও কঠোর হবো আমরা। সরকার পতন হবেই।’ তবে পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না বলে, ফের জানিয়েছেন ইমরান খান। আর তার মন্ত্রীরা উল্টো আন্দোলনকারীদের দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন। আর সেনাবাহিনীও সরকারের পক্ষ নিয়ে বলছে, অগণতান্ত্রিক আন্দোলনে সমর্থন দেবে না তারা।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর বলেন, ‘পাকিস্তান সেনাবাহিনী আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা সরকারের সমর্থনে কাজ করে যাবো। কোনো নির্দিষ্ট দলের আন্দোলনে আমরা পক্ষ নেবো না। নির্বাচনে সেনা সদস্যরা আইনি দায়িত্ব পালন করেছেন। যারা আন্দোলন করছেন, তাদের উচিত নির্বাচনের মাধ্যমে এসে দেশের হয়ে কথা বলা।’ 
সরকারি দফতর ও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন এলাকায় ইতোমধ্যে সমুদ্র পথে ব্যবহৃত বড় কন্টেইনার এনে রাখা হয়েছে। অর্থনৈতিক নাজুক দশা, দুর্নীতি, সেনাবাহিনীর কথা মতো সরকার পরিচালনাসহ সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত রোববার থেকে এ আন্দোলন শুরু হয়।

মন্তব্য

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*