Logo
সংবাদ শিরোনাম :
বিএমএসএফ সিংড়া উপজেলা কমিটির সৌরভ সভাপতি তোহা সম্পাদক প্রতিমন্ত্রী পলকের ব্যক্তিগত অর্থায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সু-রক্ষা সামগ্রী প্রদান গাইবান্ধায় বাস চাপায় ২ মোটর সাইকেল আরোহী নিহত শাজাহানপুরে হালচাষি ট্রাাক্টর ড্রাইভারকে মারপিট গাইবান্ধায় একদিনে আক্রান্তের ১০৫ জন : মোট আক্রান্ত ৩৯৩ শিবগঞ্জে প্রতিপক্ষের মারপিটে আহত ২,থানায় অভিযোগ বগুড়ার মোকামতলায় ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পরিবেশের ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে গাছ লাগানোর কোন বিকল্প নেই… তোশিবা এমডি আজাহার আলী মৃত্যু গাবতলী উজগ্রামে আজাহার আলী এর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শাজাহানপুরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করোনার দুঃসময়ে জনলোক মানুষের দুয়ারে




মাস্ক নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ডেস্ক নিউজ
আপডেট করা হয়েছে : রবিবার, ৭ জুন, ২০২০
ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এবং আক্রান্ত রোগীর সেবায় নিয়োজিতদের মাস্ক পরলেই হবে- আগে দেওয়া এমন নির্দেশনা থেকে সরে এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

শুক্রবার (৬ জুন) নতুন নির্দেশনায় সংস্থাটি বলেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এলাকা এবং যেখানে শারীরিক দূরত্ব মানা কঠিন সেসব জায়গায় অবশ্যই মাস্ক পরে চলাচল করা উচিত।

গত ডিসেম্বরের চীনের উহান থেকে করোনাভাইরাসের সূত্রপাতের পর থেকেই এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে মাস্কের কার্যকারিতার বিষয়টি অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে।

এ ব্যাপারে নতুন নির্দেশনায় ডব্লিউএইচও’র প্রধান তেদ্রোস আধানম গাব্রিয়েসাস বলেন, নতুন প্রমাণের আলোকে যেসব জায়গায় এই ভাইরাস ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে এবং শারীরিক দূরত্বের বিষয়টি কঠিন সেসব স্থানে ডব্লিউএইচও সরকারগুলোকে জনসাধারণকে মাস্ক পরায় ব্যাপারে উৎসাহিত করার পরামর্শ দিচ্ছে।

আমাদের পরামর্শ, যেসব জায়গায় শারীরিক দূরত্ব সম্ভব না, যেসব মানুষের বয়স ৬০ বা তার বেশি অথবা যাদের অবস্থা শয্যাশায়ী তাদের মেডিকেল মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।- যোগ করেন আধানম।

তবে জাতিসংঘের আওতাভুক্ত স্বাস্থ্য সংস্থাটি এটাও জানিয়েছে যে, কেবল ফেসমাস্ক ‘কভিড-১৯ থেকে কাউকে রক্ষা করতে পারবে না’। সেই সঙ্গে এই রোগে আক্রান্তদের পারলে জনসমাগমে না আসার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাসের লক্ষণ আছে এমন ব্যক্তিদের যদি বাইরে আসতেই তাহলে অবশ্যই মেডিকেল মাস্ক পরার জন্য পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

মাস্ক নিয়ে এর আগে ডব্লিউএইচও’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে, সুস্থ মানুষের মাস্ক পরার দরকার আছে এমন কোনো প্রমাণ নেই।

তখন নির্দেশনা ছিল, একই রুমে যারা করোনায় আক্রান্ত রোগীর সেবাযত্নে নিয়োজিত তাদেরই মেডিকেল মাস্ক পরলে চলবে। করোনা সন্দেহ রোগী এবং করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে জড়িত স্বাস্থ্যকর্মীদের মাস্ক ও অন্যান্য সুরক্ষা পোশাক পরতে বলা হয়। অহেতুক সবার মাস্ক পরার দরকার নেই বলেও উল্লেখ করা হয়।

অবশ্য মাস্ক নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এমন পরামর্শ কানে নেয়নি বাংলাদেশসহ অনেক দেশ। বরং জনসমাগমে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে দেশগুলোর সরকার।

মন্তব্য

মন্তব্য





এই ধরনের আরও খবর

ফেসবুকে আমরা




Theme Created By ThemesDealer.Com