Logo
সংবাদ শিরোনাম :
ফাপোর আন্তঃ ইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্টে অনুষ্টিত। টুঙ্গিপাড়া গ্রাম থেকে বিশ্বমানবতার নেত্রী ছাত্রদলে মিছিলে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে বগুড়া জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল নওগাঁয় ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার গাজীপুরে গোডাউনে মিলল টিসিবি পণ্য চীনে ১৩৩ যাত্রী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত বগুড়ায় পিকনিকে হামলা করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা একশত টাকা মূল্যমানের প্রাইজ বন্ডের ১০৬তম ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত !! বগুড়া শহরে প্রথম চার তারকা হোটেল নাজ গার্ডেন বিক্রি বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের নেত্রী মাহবুবা নাসরিন রুপাকে জেলা আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার




পলি জমে নদীগুলোর বুক উঁচু হয়ে উঠেছে

প্রতিবেদকের নাম :
আপডেট করা হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

প্রতিবছর উজানে থেকে বন্যার পানির সাথে বিপুল পরিমাণ পলিও নেমে আসে। পলি জমে নদীগুলোর বুক উঁচু হয়ে উঠেছে। বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানি ভাটিতে নামতে পারে না। এতে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে অস্বাভাবিক বন্যার সৃষ্টি হয়। সৃষ্টি হয় স্থায়ী জলাবদ্ধতা। এতে ফুল ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়ে থাকে। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করে।

বুধবার রাতে ডিবিসি নিউজের রাজকাহন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড মহাপরিচারক মোঃ মাহফুজুর রহমান। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বুয়েট, পানি সম্পদ কৌশল বিভাগ অধ্যাপক ড.মো. আব্দুল মতিন ও পরিবেশ ও জলবাযু বিশ্লেষজ্ঞ ড. আতিক রহমান।

মোঃ মাহফুজুর রহমান আরো বলেন, নদী খনন আমি কতটুকু করবো। নদী শাসনের একটা পার্ট হলো নদী খনন। কিন্তু আমরা নদী সবটা খনন করতে বলছি না। ক্ষ্রমপুত্র নদীর উইট ১৬ কি.মি কিন্তু পানি প্রবাহিত হচ্ছে কতটুকু দিয়ে সেটি দেখতে হবে। তেমনি আমাদের বঙ্গবন্ধু ব্রীজ যেটা সেটি ৪.৮কি.মি উইড তার মধ্যে কিন্তু বন্যার সময় ব্রীজের অধেক ভাগ দিয়ে পানি প্রবাহিত করছে এর ফলে বাকিটা কিন্তু চর সৃষ্টি হচ্ছে। এই চরটা যে সৃষ্টি হচ্ছে সেটি কিন্তু প্রতি বছর বর্ষার পরে আবার নতুন করে চর পরিবর্তন হয় এখন বর্ষার পরে সেটি আবার নতুন করে রুপ ধারণ করলে সমস্যা সৃষ্টির বিষয় টাও রাখতে হয়। এখন আবার যদি নদী খনন করি তাহলে আমাদের পরিকল্পনা করা লাগে কারণ আমাদের নদী গুলো কিন্তু আকাঁবাকা নদী সেই জন্য আমাদের সবদিক বিবেচর্না করে নদী খনন করতে হয়।

তিনি আরো বলেন, সরকারকে নদীশাসনের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ধরুন, একজনের একটা ঘা হলো। তার প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে একটা মলম লাগাতে বলল ডাক্তার। আবার মলম লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে তাকে কিন্তু আবার অ্যান্টিবায়োটিকও খেতে হবে। কারণ মলম লাগানো বাইরের দিকের সমাধান আর ভেতরের দিক থেকে সমাধান হলো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া। নদীর ক্ষেত্রেও বিষয়টি এমন। এখানে ড্রেজিং হলো বাইরের দিকের সমাধান। চূড়ান্ত কোনো সমাধান নয়। চূড়ান্ত সমাধান হলো, তাকে পলি বহন করার ক্ষমতা অর্জনে সাহায্য করা। নদীগুলোকে বুঝতে হবে তার চরাঞ্চল, বৈশিষ্ট্য- এসব বুঝে কাজ করতে হবে। নদীর পাড়গুলোতে শক্ত করে বাঁধতে হবে, তাকে তার মতো করে চলতে দিতে হবে

মন্তব্য

মন্তব্য





এই ধরনের আরও খবর

ফেসবুকে আমরা




Theme Created By ThemesDealer.Com