সর্বশেষ সংবাদ
Home » হাট বাজার » পেঁয়াজের কেজি ১৩০টাকা

পেঁয়াজের কেজি ১৩০টাকা

রবিউল ইসলাম  বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৪০ টাকা। এ হিসাবে প্রতিদিন গড়ে বেড়েছে পৌনে ৬ টাকা করে। শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ভালো মানের প্রতি কেজি পেঁয়াজ  ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহ আগেই বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা কেজি। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে তারাও বেশি দামে বিক্রিতে বাধ্য হচ্ছেন।এদিকে বাজার তদারকিতে রয়েছে সরকারের একাধিক সংস্থা। তারা পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ মজুদের তথ্য সংগ্রহ করে সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। এর ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে সরকারি সংস্থাগুলোর তদারকির কোনো ইতিবাচক প্রভাব বাজারে পড়ছে না।ওই সময়ে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজির দাম ছিল ৮০ থেকে ১১০ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করার আগে যেসব এলসি খোলা হয়েছিল সেগুলো ইতিমধ্যে দেশে এসে গেছে। এখন আর নতুন করে আসছে না। এছাড়া মিয়ানমার থেকেও খুব বেশি আসছে না। মিসর ও তুরস্ক থেকে আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সেগুলো আগামী সপ্তাহে দেশে এসে পৌঁছবে। এরপর বাজারে দাম কমে যাবে বলে মনে করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।এদিকে মিয়ানমার থেকে ভারতের চেয়ে কম দামে আমদানির সুযোগ থাকলেও আমদানি হচ্ছে কম। কেননা মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্যের আওতায় কোনোরকম এলসি ছাড়াই পণ্য আমদানি হচ্ছে। বিশেষ করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নগদ ডলারে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারেন। এ কারণে বড় আকারে কোনো চালান আসছে না। ছোট ছোট চালানের মাধ্যমে আসছে। ওই দেশ থেকে ছোট আকারে শনিবারও চালান এসেছে।সেগুলো কিনতে সেখানে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের পাইকাররা ভিড় করেছেন। সরবরাহের চেয়ে চাহিদা বেশি হওয়ায় ওখানেও এর দাম বেশি। এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার যেতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এ কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেয়ার সুপারিশ করেছেন। এজন্য দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করতে হবে।

মন্তব্য

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা

এই করোনাভাইরাসটি ভয়াবহ গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এটি প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের উপর এই ভাইরাসের প্রভাব বা এতে কতজন আক্রান্ত হতে পারে- সে সম্পর্কে আমরা এখনও বেশি কিছু জানি না। কিন্তু নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধ এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। সময় আমাদের সাথে নেই।”